প্রাচীন ভারতে নারী | ক্ষিতিমোহন সেন
Author : Kshitimohan Sen
Publisher : Bahuswar Prokashoni - বহুস্বর প্রকাশনী
‘আজ, আরও ছিয়াত্তর বছর কেটে গেছে প্রাচীন ভারতে নারী প্রকাশের পর, আজও ভারতের বৃহত্তর নারীসমাজ জানেই না, তাদের অধিকার কী এবং কতটা। যে প্রাচীন রীতির গল্প আজও পিতৃতান্ত্রিক ভারতীয় হিন্দু সমাজব্যবস্থায় ঘুণপোকার মতো বাসা বেঁধে আছে, তার প্রকৃত স্বরূপটি কী, তা জানানোর প্রয়োজন এই একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকের শেষার্ধ্বেও এতটুকু কমে যায়নি; তাই এই উত্তাল পরাম্মুখ সময়ে, যখন নতুন করে হিন্দুদের প্রাচীন প্রথা ও রীতিগুলির পুনরায় ফিরে আসার আশা ও আশঙ্কা, দুই-ই দেখা যাচ্ছে, তখন বড়ো দরকার শাস্ত্রমুখেই মানবতাবিরোধী যে-কোনও বৈষম্যমূলক আইনের ফিরে-আসার গতি রোধ করে দেওয়ার, যেমন শাস্ত্রমুখেই সতীদাহ প্রথা রদ করিয়েছিলেন রাজা রামমোহন রায়, আর বিধবার পুনর্বিবাহকে পুনরায় চালু করিয়েছিলেন বিদ্যাসাগর।’
-মৌ দাশগুপ্ত
ভূমিকা: অধ্যাপক মৌ দাশগুপ্ত
প্রচ্ছদ: শুভেন্দু সরকার
| Publisher | Bahuswar Prokashoni - বহুস্বর প্রকাশনী |
| Binding | Paperback |
| Language | Bengali |
‘আজ, আরও ছিয়াত্তর বছর কেটে গেছে প্রাচীন ভারতে নারী প্রকাশের পর, আজও ভারতের বৃহত্তর নারীসমাজ জানেই না, তাদের অধিকার কী এবং কতটা। যে প্রাচীন রীতির গল্প আজও পিতৃতান্ত্রিক ভারতীয় হিন্দু সমাজব্যবস্থায় ঘুণপোকার মতো বাসা বেঁধে আছে, তার প্রকৃত স্বরূপটি কী, তা জানানোর প্রয়োজন এই একবিংশ শতকের দ্বিতীয় দশকের শেষার্ধ্বেও এতটুকু কমে যায়নি; তাই এই উত্তাল পরাম্মুখ সময়ে, যখন নতুন করে হিন্দুদের প্রাচীন প্রথা ও রীতিগুলির পুনরায় ফিরে আসার আশা ও আশঙ্কা, দুই-ই দেখা যাচ্ছে, তখন বড়ো দরকার শাস্ত্রমুখেই মানবতাবিরোধী যে-কোনও বৈষম্যমূলক আইনের ফিরে-আসার গতি রোধ করে দেওয়ার, যেমন শাস্ত্রমুখেই সতীদাহ প্রথা রদ করিয়েছিলেন রাজা রামমোহন রায়, আর বিধবার পুনর্বিবাহকে পুনরায় চালু করিয়েছিলেন বিদ্যাসাগর।’
-মৌ দাশগুপ্ত